মিছিলে শিবিরের নেতাকর্মীরা নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবর, ইসলামী ছাত্রশিবির; জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ, শিবিরের একশান; ডাইরেক্ট একশান, আল-কোরআনের অপমান; সইবে নারে মুসলমান, আল-কোরআনের আলো; ঘরে ঘরে জ্বালো, আমরা সবাই রাসুল সেনা; ভয় করি না বুলেট বোমা ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রাবি শিবিরের দপ্তর সম্পাদক হাফেজ মেহেদী হাসান বলেন, কিছু দুষ্কৃতিকারী গত ১২ জানুয়ারি কুরআনে আগুন দেওয়ার মাধ্যমে আমাদের কলিজার ভিতর আগুন দিয়েছে। আমরা বলে দিতে চাই, তোমরা ঘুঘু দেখেছো ফাঁদ দেখো নাই। তোমরা যে কুরআনে আগুন দিয়েছো, এই আগুনের স্ফুলিঙ্গের মাধ্যমে তোমরা ধ্বংস হয়ে যাবে। কোরআনের জন্য যদি শহীদ হতে হয় আমরা শহীদ হতেও রাজি আছি। তারপরও আমরা কোরআনের অবমাননা মেনে নিতে রাজি নই।
এ সময় রাবি শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, কুরআন আমাদের হৃদয়ের স্পন্দন।কুরআনকে পুড়িয়ে আমাদের হৃদয়ে যে আঘাত দেওয়া হয়েছে, মৃত্যু দিয়েও এমন কষ্ট দেওয়া যায় না। কুরআন পোড়ানোর ঘটনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মর্মাহত। রাবিতে যারা দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে, আমরা তাদের পরিকল্পনা কে নস্যাৎ করে কুরআনের বিপ্লব ঘটাবো।
প্রসঙ্গত, গত ১২ জানুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে ও কেন্দ্রীয় মসজিদে রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতিকারীরা পবিত্র কোরআন মজিদ পুড়িয়ে দেয়। কোরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে ছাত্রশিবির গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গায় ৬ শতাধিক কোরআন বিতরণ করে।