দেশজুড়ে আশঙ্কাজনকহারে নারীর প্রতি সহিংসতা, ধর্ষণ এবং নির্যাতনের ঘটনায় দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে শাহবাগে মিছিল করে বামপন্থিরা। এ সময় বামপন্থি নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গ্রুপ জেএসএস,ইউপিফিএফ ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে পুলিশের উপর হামলা করতে দেখা যায়।
এ সময় হামলায় নের্তৃত্ব দিতে দেখা যায় পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ জেএসএস নেতা ও আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কেএসমং এর ছেলে অং অং মারমা'কে। কেএসমং ও তার ছেলে অং অং মারমা পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সক্রিয় সদস্য৷ এ নিয়ে অং এর নিক জেলা বান্দরবানের সাধারণ ছাত্র জনতার মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ এর বান্দরবান জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ তানভির হোসেন ইমন বলেন "রাজনৈতিক ঢাল ও আইনশৃংখলা বাহিনীর উপর হামলার জন্য উপজাতি সন্ত্রাসীদের পাহাড় থেকে ডেকে নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে অরাজকতা সৃষ্টি করছে বামরা। অং এর আগেও বান্দরবান শহরে তাদের দলীয় ব্যানারে মিছিল মিটিংয়ে সেনা বিদ্ধেসী বিভিন্ন কথাবার্তা বলেছে।
তিনি আরোও বলেন "পাঠ্যবইয়ে এনসিটিবি ভবনের সামনে উপজাতি - বাঙালি মারামারির ঘটনায় শাহাদাৎ ফরাজি সাকিব'কে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সে জড়িত না থেকেও গ্রেপ্তার হয়েছিল। কিন্ত আজ শাহাবাগে পুলিশের উপর হামলা করে চিহ্নিত সন্ত্রাসী অং অং মারমাকে গ্রেপ্তার করে কিনা সেটি দেখার বিষয় এখন। এই সন্ত্রাসী পরিবার ও তাদের সংগঠন জেএসএস(শান্তিবাহিনী) এর হাত থেকে মুক্তি পেতে চায় পাহাড়ের জনগণ"।