বরেন্দ্রভূমি অধ্যুষিত শস্য ভান্ডার খ্যাত নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলায় কৃষি প্রনোদনায় গমের বীজ ও সার পেয়ে এ বছর গমের আবাদ বেড়েছে। বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি রবি মৌসুমে গম চাষ করা হয়েছে ৯৯০ হেক্টর জমিতে। ১৮৮ হেক্টর জমিতে সরকারি প্রণোদনার অন্তর্ভুক্ত আর ৮০২ হেক্টর জমি কৃষক নিজ উদ্যোগে গম চাষাবাদ করেছেন। সরকারি প্রণোদনার হিসেবে কৃষকদের বিঘা প্রতি গম বীজ-২০ কেজি, ডি.এ.পি-১০কেজি,এম.ও.পি-১০ কেজি করে দেওয়া হয়।
উপজেলায় বিডব্লিউএমআরআই -৩ জাতের গম,বাবি গম -৩২ ও ৩৩ চাষ করেছেন কৃষকরা। গম চাষে পানি কম লাগে এবং শ্রমিক খরচ কম এবং লাভ বেশি হয়। জলবায়ুর পরিবর্তনের সাথে গমেরও নতুন জাত উদ্ভাবন হয়েছে। কৃষকরা আশা করছেন বাজারে গমের দাম ভাল থাকলে কৃষক লাভবান হবেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন মাঠে মাঠে গমের গাছগুলো মৃদু মন্দ বাতাসে দুলছে। কোনোগুলো সবুজ আবার কোনোগুলো সোনালী কালার ধারণ করছে।
উপজেলার নজিপুর ইউনিয়নের পারর্বতীপুর গ্রামের গমচাষী নাসির উদ্দীন মন্ডল জানান, এ বছর ৩ বিঘা জমিতে উন্নত জাতের গমের চাষ করেছি। গম চাষে বিঘা প্রতি প্রায় ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা খরচ হয়ে। এছাড়াও গম চাষে বিশেষ কোন শ্রমিক খরচ নেই। বীজ বপন থেকে গম উঠানো পর্যন্ত দুইবার পানি সেচ দিলেই হয়।
গম ভাল হলে বিঘা প্রতি প্রায় ১২ -১৫ মণের মতো হবে বলে তারা আশা করছেন। উপজেলার কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন, আবহাওয়া বেশ অনুকূল থাকায় ও রোগ,পোকা মাকড় কম হওয়ায় ফসল ভাল হয়েছে আশা করছি ফলন ভাল হবে।