- হোম
- আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল গতকাল (সোমবার) দিবাগত মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। তাঁর এই বার্তার মূল বিষয়বস্তু ছিল 'গুম অধ্যাদেশ' এবং বিচার বিভাগীয় সংস্কারের অগ্রগতি। তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী মূল বার্তাগুলো হলো: ১. গুম অধ্যাদেশের গেজেট: তিনি জানান, সোমবার রাত ১১টায় বহুল প্রতীক্ষিত ‘গুম অধ্যাদেশ’-এর গেজেট নোটিফিকেশন জারি হয়েছে। ২. বিচার বিভাগীয় সংস্কার: তিনি উল্লেখ করেন যে, বিচার বিভাগীয় সংস্কারের যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তার ৯০ শতাংশ কাজ সমাপ্ত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে কয়েকদিন আগেই ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ’ জারি করা হয়েছে বলে তিনি মনে করিয়ে দেন। ৩. ভবিষ্যৎ সংস্কার পরিকল্পনা: তিনি আরও জানান, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে মানবাধিকার কমিশন আইনের সংস্কার করা হবে। এছাড়া পুলিশ সংস্কার আইন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কার অধ্যাদেশের কাজও দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, দিনের বেলায় সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গেও কথা বলেন। তিনি জানান, তারেক রহমানের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা আছে বলে তাঁর জানা নেই এবং সরকার এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে। তবে সুনির্দিষ্টভাবে "মধ্যরাতে" দেওয়া বার্তাটি ছিল মূলত গুম অধ্যাদেশ ও সংস্কার কাজের অগ্রগতি নিয়ে।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল গতকাল (সোমবার) দিবাগত মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। তাঁর এই বার্তার মূল বিষয়বস্তু ছিল 'গুম অধ্যাদেশ' এবং বিচার বিভাগীয় সংস্কারের অগ্রগতি। তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী মূল বার্তাগুলো হলো: ১. গুম অধ্যাদেশের গেজেট: তিনি জানান, সোমবার রাত ১১টায় বহুল প্রতীক্ষিত ‘গুম অধ্যাদেশ’-এর গেজেট নোটিফিকেশন জারি হয়েছে। ২. বিচার বিভাগীয় সংস্কার: তিনি উল্লেখ করেন যে, বিচার বিভাগীয় সংস্কারের যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তার ৯০ শতাংশ কাজ সমাপ্ত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে কয়েকদিন আগেই ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ’ জারি করা হয়েছে বলে তিনি মনে করিয়ে দেন। ৩. ভবিষ্যৎ সংস্কার পরিকল্পনা: তিনি আরও জানান, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে মানবাধিকার কমিশন আইনের সংস্কার করা হবে। এছাড়া পুলিশ সংস্কার আইন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কার অধ্যাদেশের কাজও দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, দিনের বেলায় সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গেও কথা বলেন। তিনি জানান, তারেক রহমানের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা আছে বলে তাঁর জানা নেই এবং সরকার এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে। তবে সুনির্দিষ্টভাবে "মধ্যরাতে" দেওয়া বার্তাটি ছিল মূলত গুম অধ্যাদেশ ও সংস্কার কাজের অগ্রগতি নিয়ে।
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন
-
-
-
-
-
-
-
সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুন্সী আবদুল মজিদ তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। দুদক সিলেটের উপপরিচালক রাফী মো. নাজমুস সা’দাৎ প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নঈমুল হক চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত আবেদন নাকচ করেন। জেলা নিয়োগে অনিয়ম দুদকের মামলায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার কারাগারে নিজস্ব প্রতিবেদক সিলেট প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩: ৪৯ সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ফাইল ছবি সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুন্সী আবদুল মজিদ তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। দুদক সিলেটের উপপরিচালক রাফী মো. নাজমুস সা’দাৎ প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নঈমুল হক চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত আবেদন নাকচ করেন।এর আগে গত রোববার এ মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও আট কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠান আদালত। সব মিলিয়ে কয়েক ধাপে মোট ২০ কর্মকর্তা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তাঁদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে বর্তমানে ১০ জন জামিনে আছেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ অভিযোগ আমলে নিয়ে ইউজিসি ২০২৩ সালে তদন্ত করে। তদন্তে তৎকালীন উপাচার্য মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া যায়। পরে দুদকের সিলেটের সমন্বিত জেলা কার্যালয় প্রার্থীদের বয়স ও যোগ্যতার ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও নিয়োগে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়মের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন পদে নিয়োগ ও পদোন্নতি দেওয়ার অভিযোগে তৎকালীন উপাচার্য, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারসহ ৫৮ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল মামলা করে। এ মামলার প্রধান আসামি তৎকালীন উপাচার্য। বর্তমানে তিনি পলাতক। দুদক সূত্রে জানা গেছে, উপাচার্য ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করে সিন্ডিকেট ও ইউজিসির অনুমোদন ছাড়া বিধিবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেন। ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ২২০ জনকে সম্পূর্ণ অস্থায়ীভাবে (অ্যাডহক) ছয় মাসের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে মেয়াদ অনূর্ধ্ব ছয় মাস পর্যন্ত বাড়ানো হয়। নির্ধারিত সময় পূর্ণ হওয়ার পর চাকরি নিয়মিত না করে আবার অ্যাডহকে দুই থেকে পাঁচবার পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়।অভিযোগপত্রে বলা হয়, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১৮–এর ১২-এর ১০ উপধারা অনুযায়ী উপাচার্য কোনো শূন্য পদে অ্যাডহক নিয়োগের ক্ষেত্রে অস্থায়ীভাবে অনধিক ছয় মাসের জন্য নিয়োগ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনে মেয়াদ অনূর্ধ্ব ছয় মাস পর্যন্ত বাড়াতে পারবেন। পরবর্তী সময়ে হয় চাকরি নিয়মিত করতে হবে অথবা অব্যাহতি দিতে হবে। কোনোভাবেই আবার অ্যাডহকে নিয়োগ বা মেয়াদ বাড়াতে পারবেন না। তবে তৎকালীন উপাচার্য আইন লঙ্ঘন করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অ্যাডহক নিয়োগ দেন এবং অবৈধভাবে মেয়াদ বাড়ান। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার তাঁকে ওই কাজে সহযোগিতা করেন। ইউজিসির অনুমোদন ছাড়া নিয়োগের পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বাজেট থেকে বেআইনিভাবে বেতন-ভাতা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে কর্মরত আছেন ২৩৯ জন। এর মধ্যে ইউজিসি অনুমোদিত পদ আছে ১১২টি। এসব অনুমোদিত পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৯৮ জনকে। তাঁদের বেতন-ভাতা ইউজিসি থেকে ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া হয়। অন্যদিকে অতিরিক্ত ১৪১টি পদে নিয়োগ দেওয়া হলেও ইউজিসির অনুমোদন নেওয়া হয়নি এবং তাঁদের বেতন-ভাতা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুদান থেকে প্রাপ্ত। এসব অতিরিক্ত নিয়োগের ব্যাপারে ইউজিসি কিংবা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেওয়া হয়নি।২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ‘শুরুতেই নিয়োগে বড় ধরনের অনিয়ম’ শিরোনামে প্রথম আলোয় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে ইউজিসির অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত ১০৯ জনের নিয়োগ দেওয়ার তথ্য তুলে ধরা হয়।
-