শনিবার মার্চ ২১ ২০২৬ ৬ চৈত্র ১৪৩২
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিরালা টিভি ডটকম এর পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে চাকরিচ্যুত দের মানববন্ধন
পুলিশের ইউনির্ফম নিয়ে শত কোটি টাকার অনিয়ম ফিরছে আগের পোশাকে
তারেক রহমান বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে। দেশে ছবি টাঙানোর কার্যকর সময় ও নিয়মাবলি: কার্যকর তারিখ: ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে শপথ গ্রহণের পর থেকেই প্রশাসনিকভাবে এটি কার্যকর। তবে সাধারণত শপথের পর ১-২ দিনের মধ্যে হবে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনি বিধিনিষেধ ও প্রচার-প্রচারণার সময়সীমা নিয়ে আপনি জানতে চেয়েছেন। আপনার উল্লেখ করা সময়টি মূলত নির্বাচনি প্রচারণার শেষ সময় এবং শান্তিকালীন সময়ের সাথে সম্পর্কিত। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো: ১. নির্বাচনি প্রচারণার সময়সীমা নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই উপলক্ষে: প্রচারণা শেষ: ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে সব ধরনের নির্বাচনি প্রচারণা বন্ধ হয়ে যাবে। শান্তিকালীন সময় (Silent Period): ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত (ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা) কোনো ধরনের মিছিল, জনসভা বা শোভাযাত্রা করা যাবে না। ২. সাধারণ ছুটি ও ব্যাংকিং কার্যক্রম ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে সরকার বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে: ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি: সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই দুই দিন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে। ১০ ফেব্রুয়ারি: শিল্পাঞ্চল বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের কর্মীদের জন্য বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে যাতে তারা নিজ এলাকায় গিয়ে ভোট দিতে পারেন।
গতকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) ৯ম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলনের সময় পুলিশি অ্যাকশন ছিল বেশ জোরালো। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল (কাঁদুনে গ্যাস), সাউন্ড গ্রেনেড এবং জলকামান ব্যবহার করে। নিচে পুলিশের ওই অ্যাকশনের বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হলো: ১. টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ আন্দোলনকারীরা শাহবাগ থেকে মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার সময় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। আন্দোলনকারীরা পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চাইলে পুলিশ দফায় দফায় টিয়ারশেল এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। টিয়ারশেলের ধোঁয়ায় পুরো এলাকা আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং আন্দোলনকারীরা সাময়িকভাবে ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। ২. জলকামানের ব্যবহার টিয়ারশেলের পাশাপাশি পুলিশ জলকামান দিয়ে গরম পানি ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের হটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। অনেক আন্দোলনকারীকে জলকামানের গাড়ির ওপরে উঠে প্রতিবাদ জানাতেও দেখা গেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার (যমুনা) নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তারা এই কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। ৩. সংঘর্ষ ও হতাহত পুলিশের এই অ্যাকশনের সময় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। আহত: পুলিশের লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল এবং সাউন্ড গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাতে অন্তত ১৫ থেকে ৪০ জন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আটক: ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।
সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুন্সী আবদুল মজিদ তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। দুদক সিলেটের উপপরিচালক রাফী মো. নাজমুস সা’দাৎ প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নঈমুল হক চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত আবেদন নাকচ করেন। জেলা নিয়োগে অনিয়ম দুদকের মামলায় সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার কারাগারে নিজস্ব প্রতিবেদক সিলেট প্রকাশ: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩: ৪৯ সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ফাইল ছবি সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুন্সী আবদুল মজিদ তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। দুদক সিলেটের উপপরিচালক রাফী মো. নাজমুস সা’দাৎ প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নঈমুল হক চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত আবেদন নাকচ করেন।এর আগে গত রোববার এ মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও আট কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠান আদালত। সব মিলিয়ে কয়েক ধাপে মোট ২০ কর্মকর্তা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তাঁদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে বর্তমানে ১০ জন জামিনে আছেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ অভিযোগ আমলে নিয়ে ইউজিসি ২০২৩ সালে তদন্ত করে। তদন্তে তৎকালীন উপাচার্য মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া যায়। পরে দুদকের সিলেটের সমন্বিত জেলা কার্যালয় প্রার্থীদের বয়স ও যোগ্যতার ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও নিয়োগে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়মের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন পদে নিয়োগ ও পদোন্নতি দেওয়ার অভিযোগে তৎকালীন উপাচার্য, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারসহ ৫৮ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল মামলা করে। এ মামলার প্রধান আসামি তৎকালীন উপাচার্য। বর্তমানে তিনি পলাতক। দুদক সূত্রে জানা গেছে, উপাচার্য ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করে সিন্ডিকেট ও ইউজিসির অনুমোদন ছাড়া বিধিবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেন। ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ২২০ জনকে সম্পূর্ণ অস্থায়ীভাবে (অ্যাডহক) ছয় মাসের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে মেয়াদ অনূর্ধ্ব ছয় মাস পর্যন্ত বাড়ানো হয়। নির্ধারিত সময় পূর্ণ হওয়ার পর চাকরি নিয়মিত না করে আবার অ্যাডহকে দুই থেকে পাঁচবার পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়।অভিযোগপত্রে বলা হয়, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১৮–এর ১২-এর ১০ উপধারা অনুযায়ী উপাচার্য কোনো শূন্য পদে অ্যাডহক নিয়োগের ক্ষেত্রে অস্থায়ীভাবে অনধিক ছয় মাসের জন্য নিয়োগ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনে মেয়াদ অনূর্ধ্ব ছয় মাস পর্যন্ত বাড়াতে পারবেন। পরবর্তী সময়ে হয় চাকরি নিয়মিত করতে হবে অথবা অব্যাহতি দিতে হবে। কোনোভাবেই আবার অ্যাডহকে নিয়োগ বা মেয়াদ বাড়াতে পারবেন না। তবে তৎকালীন উপাচার্য আইন লঙ্ঘন করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অ্যাডহক নিয়োগ দেন এবং অবৈধভাবে মেয়াদ বাড়ান। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার তাঁকে ওই কাজে সহযোগিতা করেন। ইউজিসির অনুমোদন ছাড়া নিয়োগের পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বাজেট থেকে বেআইনিভাবে বেতন-ভাতা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে কর্মরত আছেন ২৩৯ জন। এর মধ্যে ইউজিসি অনুমোদিত পদ আছে ১১২টি। এসব অনুমোদিত পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৯৮ জনকে। তাঁদের বেতন-ভাতা ইউজিসি থেকে ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া হয়। অন্যদিকে অতিরিক্ত ১৪১টি পদে নিয়োগ দেওয়া হলেও ইউজিসির অনুমোদন নেওয়া হয়নি এবং তাঁদের বেতন-ভাতা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুদান থেকে প্রাপ্ত। এসব অতিরিক্ত নিয়োগের ব্যাপারে ইউজিসি কিংবা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেওয়া হয়নি।২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ‘শুরুতেই নিয়োগে বড় ধরনের অনিয়ম’ শিরোনামে প্রথম আলোয় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে ইউজিসির অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত ১০৯ জনের নিয়োগ দেওয়ার তথ্য তুলে ধরা হয়।
পটিয়ায় পৌরসভার দুই সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ে ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগ ও তদন্তের দাবি