পুলিশ জানিয়েছে, আজ নওগাঁয় ছেলের বাড়িতেই ওই কিশোরীকে খুঁজে পাওয়া যায়। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ি থেকে আবার বের হয়ে গিয়েছে ওই কিশোরী।
এডিসি জুয়েল রানা বলেন, পুলিশকে সহযোগিতা করা দরকার। কালকে থেকে পুলিশের অসংখ্য টিম কষ্ট করছে। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো, মেয়ের পরিবার থেকে ছেলের পরিবারে বলা হচ্ছে, তারা না যাওয়া পর্যন্ত যেন কোনোভাবেই পুলিশের হাতে হস্তান্তর না করা হয়।
তিনি বলেন, আমরা মেয়ের খোঁজ পেয়েছি। ছেলেরও খোঁজ পেয়েছি। তাদের লোকেশন ট্র্যাক করতে পেরেছি। এখনও পর্যন্ত মেয়ে আমাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি। ছেলের বাবা-চাচার সাথে কথা বলেছি, তাদের কাছে মেয়ে সকালে ছিল। পরে আবার বাসা থেকে বেরও হয়ে গেছে। বিষয়টা তারা মেয়ের বাবাকেও জানিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সুবার বাবা ইমরান রাজীবের সাধারণ ডায়েরি করার পরই শুরু হয় সিসিটিভি বিশ্লেষণ। সেখানে এক ছেলের সাথে কথা বলতে দেখা যায় সুবাকে। পরে সেই ছেলের বাড়ি নওগাঁয় চলে যায় সে। ওই ছেলের নাম মোমিন হোসেন। প্রেমঘটিত কারণে সুবা সেখানে গেছে। পুলিশ এখনও উদ্ধার করতে পারেনি। তবে ছেলের বাবা-চাচার সঙ্গে পুলিশ যোগাযোগ করেছে। দুজন যেন পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য তার বাবা-চাচার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
গেল সপ্তাহেই মায়ের ফুসফুস ক্যান্সারের চিকিৎসা করাতে ঢাকায় আসে সুবার পরিবার। গত রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কৃষি মার্কেট এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় আরাবি ইসলাম সুবা। মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে যায় তার নিখোঁজ সংবাদ। অনেকেই পোস্ট দিয়ে মেয়েটির খোঁজ চান।
জানা গেছে, বরিশালের একটি স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে সুবা। সম্প্রতি, জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালে তার মায়ের কেমোথেরাপি শুরু হয়। সে জন্য ৪দিন আগে মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেটের কাছে এক আত্মীয়ের বাসায় ওঠেন সুবার পরিবার।