শুক্রবার জুলাই ৩১ ২০২৬ ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
https://www.facebook.com/share/v/14ckXmCKrKu/
পাঁচ মাস বন্ধ জনতা ব্যাংক কর্মীদের গৃহনির্মাণ ঋণ ৮ কর্মকর্তাকে বদলি রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গৃহনির্মাণ ঋণের কার্যক্রম প্রায় পাঁচ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে শত শত কর্মকর্তা-কর্মচারী আবাসন-সংক্রান্ত ঋণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অনেকেই জমি বা ফ্ল্যাট কেনার অগ্রিম অর্থ পরিশোধ করে এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। ব্যাংক কর্মকর্তাদের অভিযোগ, স্টাফ হাউস বিল্ডিং ঋণ ও মোটরসাইকেল ঋণ অনুমোদনকে কেন্দ্র করে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় ছিল। তাদের বাইরে আবেদনকারীদের ঋণ অনুমোদন পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জনতা ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগ (এইচআরডি) থেকে গত ২৩ এপ্রিল জারি করা এক আদেশে আট কর্মকর্তার বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই আদেশ অনুযায়ী তারা গত ২৬ এপ্রিল কর্মদিবস শেষে পূর্ববর্তী দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেন। গত ২৬ এপ্রিল ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক খন্দকার মোখলেছুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বদলি আদেশে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগদানপত্রের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়েছে। বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন—সাসটেইনেবল ফিন্যান্স ইউনিটের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (এসপিও) এস এম খাদেমুল ইসলাম। তাকে ওয়েলফেয়ার ডিপার্টমেন্ট, প্রধান কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। ওয়েলফেয়ার ডিপার্টমেন্ট থেকে সিনিয়র স্পেশাল প্রিন্সিপাল অফিসার (এসএসপিও) মো. তোফাজ্জেল হোসেনকে এন্ডইউজ ডিপার্টমেন্ট (জেনারেল), প্রধান কার্যালয়ে এবং প্রিন্সিপাল অফিসার (পিও) সুলতান মহিউদ্দিনকে মহাখালী করপোরেট শাখায় বদলি করা হয়েছে। একই আদেশে প্রিন্সিপাল অফিসার (ইঞ্জিনিয়ার) জাহাঙ্গীর আলমকে ওয়েলফেয়ার ডিপার্টমেন্ট, প্রধান কার্যালয় থেকে বিভাগীয় কার্যালয়, ঢাকা-উত্তরে পরবর্তী পদায়নের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া ওয়েলফেয়ার ডিপার্টমেন্ট, প্রধান কার্যালয় থেকে সিনিয়র অফিসার (এসও) মো. মোতাসিম বিল্লাহ্ ও মোহাম্মদ শামশুল ইসলামকে এরিয়া অফিস, ঢাকা-দক্ষিণে পরবর্তী পদায়নের জন্য বদলি করা হয়েছে। একই বিভাগ থেকে সিনিয়র অফিসার আজাদ হোসেনকে সাসটেইনেবল ফিন্যান্স ইউনিট, প্রধান কার্যালয়ে পদায়ন করা হয়েছে অন্যদিকে ট্রান্সপোর্ট ডিপার্টমেন্ট, প্রধান কার্যালয়ের সিনিয়র অফিসার মো. ফয়সাল সরকারকে ভোলার দরুন বাজার শাখায় বদলি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হোম লোন কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও অনৈতিক সুবিধা আদায়ের অভিযোগ ওঠায় প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে এ বদলি কার্যকর করা হয়েছে বলে ব্যাংক মহলে আলোচনা রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। এদিকে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে ব্যাংকের ভিজিল্যান্স বিভাগ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা গেছে, স্টাফ ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে তারা কোনো ধরনের হয়রানি, অনৈতিক আর্থিক দাবি বা ঘুষের চাপের মুখে পড়েছিলেন কি না। এক কর্মকর্তা বলেন, অনেক ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দিতে আগ্রহী নন। তাই নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে অভিযোগকারীদের পরিচয় গোপন রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা স্টাফ হাউস বিল্ডিং ঋণ কার্যক্রম দ্রুত চালু এবং আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা দূর করার দাবি জানান তারা। সংশ্লিষ্ট মহলে আরও আলোচনা রয়েছে, ওয়েলফেয়ার বিভাগ ও বদলি কার্যক্রম নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি। ব্যাংকিং খাতের পর্যবেক্ষকদের মতে, জনতা ব্যাংকের মতো একটি বৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সব অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এদিকে কয়েকজন কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, স্টাফ হাউস বিল্ডিং ঋণ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় তারা ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তাদের দাবি, বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে একাধিকবার আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো সমাধান আসেনি। এ বিষয়ে জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমান কালবেলাকে বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঋণ বন্ধ নয় শুধু নীতিমালায় কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে ডিভিশন ভিত্তিক ঋণ বিতরণ করা হবে। তবে প্রধান কার্যালয়ের ঋণ, প্রধান কার্যালয় থেকেই দেওয়া হবে। আগামী সপ্তাহে বিষয়টি ব্যাংকের বোর্ড সভায় ওঠার কথা রয়েছে।
সিলেট আদালতে শিশু ফাহিমা হত্যা মামলার আসামির ওপর ক্ষুব্ধ জনতার হামলা নিরালা টিবি, সিলেট | ২৪ জুলাই ২০২৬ সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে চার বছরের শিশু ফাহিমা আক্তার হত্যা ও ধর্ষণচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। আদালত চত্বরে হাজির করার সময় উত্তেজিত জনতা ও ভিকটিমের স্বজনেরা তার ওপর চড়াও হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পর্যাপ্ত পুলিশি প্রহরা থাকা সত্ত্বেও আসামি জাকিরকে গাড়ি থেকে নামিয়ে এজলাসে নেওয়ার পথে উপস্থিত বিক্ষুব্ধ জনতা ও স্বজনেরা তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে আদালত প্রাঙ্গণে চরম বিশৃঙ্খলা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাৎক্ষণিক লাঠিচার্জ করে উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেন এবং আসামিকে নিরাপদে সরিয়ে নেন। কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যেও এমন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটায় আদালত প্রাঙ্গণের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এ বিষয়ে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা জানান, "পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঠিক কীভাবে অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটল এবং সুরক্ষায় কোনো ঘাটতি ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতে ঘটনাটির বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে।"
ব্যাংকিং খাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অপচয়: আইন বাস্তবায়নে চরম উদাসীনতা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার ব্যাংকগুলোর দাপ্তরিক সময়সূচি সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারণ করে দিলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না। নিয়ম অনুযায়ী বিকাল ৫টার পর অফিস কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা থাকলেও বেশী ভাগ ব্যাংকে রাত ৭টা-৮টা, এমনকি মধ্যরাত পর্যন্ত আলো, এসি ও কম্পিউটার চালু রাখা হচ্ছে। এতে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জ্বালানির অপচয় ঘটছে। বিদ্যুৎ খাতের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাতে এবং অপচয় রোধে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। নির্ধারিত সময়সূচি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন, আকস্মিক পরিদর্শনের ব্যবস্থা এবং নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। বিশেষ প্রতিবেদক: আজকের খবর সিলেট
বান্দরবানে ধর্মীয় নানা আয়োজনে জগন্নাথ দেবের শুভ রথযাত্রা অনুষ্ঠিত
বান্দরবানে বন্যার্তদের পাশে সনাতনী যুবসমাজ
সিলেট প্রতিনিধি বিষয়: গোয়াইনঘাটে আদালতের রায় তোয়াক্কা করছে না ভূমিদস্যুরা, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ সিলেটের গোয়াইনঘাট থানায় আদালতের নির্দেশনামা ও সমস্ত বৈধ কাগজপত্রসহ সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরও পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। থানার এমন নিষ্ক্রিয়তায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন উপজেলার ডোবাড়ী ইউনিয়নের বরইতলা গ্রামের ভুক্তভোগী পরিবার। জানা গেছে, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল (মামলা নং- ১৫৫/২০১৬) এবং মিস কেস (নং- ৯০/২০২২-২৩)-এর রায় ও খতিয়ান (নং- ২০২৬/১০০০০০৫) মূলে বরইতলা গ্রামের মোঃ ইব্রাহিম আলি ও মো: সাব্বির আহমদ আজাদ জমিটির বৈধ মালিক ও দখলদার। কিন্তু আদালতের এই আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কামাহিদ গ্রামের হারুনুর রশীদ (পিতা: আলাউদ্দিন) ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে জমিটি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। সর্বশেষ গত ২৮/০৬/২০২৬ তারিখে বিবাদী পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জমিটি দখলের চেষ্টা করে এবং ভুক্তভোগীদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এই ঘটনায় গত ২৯/০৬/২০২৬ তারিখে গোয়াইনঘাট থানায় একটি লিখিত সাধারণ ডায়েরি (অনলাইন ট্র্যাকিং নং: X1ICBM) অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জিডি করার পর বেশ কয়েকদিন অতিবাহিত হলেও গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন কিংবা বিবাদীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। পুলিশের এই রহস্যজনক নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে বিবাদী পক্ষ বর্তমানে আরও উগ্র হয়ে উঠেছে এবং যেকোনো সময় এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার জানান, "আমরা আদালতের রায় ও জিডির কপি নিয়ে থানার দ্বারে দ্বারে ঘুরছি, কিন্তু পুলিশ কোনো এক অজ্ঞাত কারণে নীরব ভূমিকা পালন করছে। আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছি।" তারা এই বিষয়ে সিলেট জেলা পুলিশ সুপার (SP) সহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
সিলেটে আদালত রায় দিলেও জমি দখলের মরিয়া চেষ্টা, থানায় জিডি স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট: সিলেটের গোয়াইনঘাট থানায় আদালতের রায় মূলে প্রাপ্ত মালিকানাধীন জমি জোরপূর্বক দখলের অপচেষ্টার অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। গত ২৯ জুন ২০২৬ তারিখে গোয়াইনঘাট থানায় এই জিডি (আবেদন ট্র্যাকিং নং: X1ICBM) ভুক্ত করা হয়। ভুক্তভোগী ও ডায়েরির বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, গোয়াইনঘাট উপজেলার বরইতলা গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে মো: ইব্রাহীম আলী ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল মামলা (নং ১৬৫/২০১৬) এবং মিস কেস (নং ৯০/২০২২-২৩) এর রায়ের ভিত্তিতে একটি জমির বৈধ মালিকানা ও দখল লাভ করেন। আদালতের নির্দেশ মোতাবেক পূর্বের ভুল নামজারি বাতিল করে তাঁর নামে নতুন নামজারি খতিয়ানও (নং ২০২৬-১০০০০০৫) সম্পন্ন হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, জমির মালিকানা বৈধ হওয়ার পর থেকেই কামাইদ গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে হারুনুর রশিদ এবং তার সাথে আরও ৫-৭ জন অজ্ঞাতনামা সহযোগী জমিটি অবৈধভাবে দখলের পাঁয়তারা করে আসছে। তারা পরিকল্পিতভাবে ২০২১ সাল থেকে শুরু করে সর্বশেষ গত ২৮ জুন ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত মোট পাঁচবার দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জমিটি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালায়। প্রতিবারই স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সময়োচিত হস্তক্ষেপে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয়। ভুক্তভোগী পরিবারটি জানায়, বিবাদীরা এখনও জমি দখলের জন্য নিয়মিত হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে যেকোনো মুহূর্তে এলাকায় বড় ধরনের আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ও মারাত্মক সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে গ্রামের মো: আব্দুল্লাহ ও আছাব উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি রয়েছেন, যারা প্রয়োজনে সাক্ষ্য দিতে প্রস্তুত। এই পরিস্থিতিতে জমির বৈধ দখলদার ও ভুক্তভোগী পরিবারটির জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
বান্দরবান ই-লার্নিং এন্ড আর্নিং লিমিটেডের বিদায়ী অনুষ্ঠান সম্পন্ন